রিজওয়ান নওগাঁ। নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলায় ফিলিং স্টেশনে তেল বিতরণ বন্ধ থাকার অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি লাইভ ভিডিওর পর ঘটনাটি তদন্ত করে ভিন্ন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন পোরশা,নওগাঁ কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার সফিক ছোটনের একটি লাইভে দাবি করা হয়, ট্যাগ অফিসার দাওয়াত খেতে যাওয়ায় তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে প্রশাসনের তদন্তে এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার সকাল ৮টা ১৫ মিনিট থেকে ডিজেল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন এবং সে সময় স্থানীয় প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। আগের দিন বিতরণ শেষ না হওয়ায় বাকি অংশের ডিজেল সকালে সরবরাহ করা হচ্ছিল। লাইভ ভিডিওতে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বিদ্যুৎ না থাকার কারণে সাময়িক ভাবে বিক্রয় বন্ধ থাকার কথা উল্লেখ করেন, যা তদন্তে সঠিক বলে প্রমাণিত ও হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ চাইলে জেনারেটর চালিয়ে সরবরাহ চালু রাখতে পারতেন, তবে খরচ এড়াতে তারা প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করেন। এছাড়া, ট্যাগ অফিসার পাম্প বন্ধ রাখার কোনো নির্দেশ দেননি বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে। বরং তিনি পাশের আরেকটি পাম্পে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, লাইভে বক্তব্য দেওয়া একজন ব্যক্তি বাস্তবে ওই দিনই ডিজেল গ্রহণ করেছিলেন, অথচ তিনি তেল না পাওয়ার অভিযোগ করেন। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। উপজেলা প্রশাসন জানায়, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গত এক মাস ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ট্যাগ অফিসাররা নিরলসভাবে বাড়তি সুযোগ সুবিধা ছাড়াই দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি ফিলিং স্টেশন গুলো তে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনের মতে, যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য প্রচার না করার জন্য আহ্বান ও জানানো হয়। বিভ্রান্তিকর যে কোন ভূল তথ্য সমাজ তথা রাষ্ট্রের জন্য ভয়ংকর বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যম হতে পারে বলে সচেতন শীল মহল মনে করছেন।