। রিজওয়ান, নওগাঁ। নওগাঁ জেলার সীমান্ত ঘেঁসা অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত উপজেলা ধামইরহাটে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয়ে উপড়ে পড়া লাখ টাকার সরকারি গাছ নাম্বারিং ও অনুমতি ছাড়াই কেটে লোপাট করার মতো ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে বন বিট কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে। প্রকাশ্য দিবালোকে কাটা এই মূল্যবান গাছগুলো কোনো সরকারি স্থানে বা ডিপোতে না রেখে, সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত জায়গায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে যে, এই দুর্নীতির খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য নিতে গেলে চরম উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বন বিট কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। এ সময় তাঁর অন্যায়ের ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) সাংবাদিকদের ক্যামেরার দিকে তেড়ে গিয়ে বাধা প্রদানের চেষ্টা করেনএবং সাংবাদিকদের হেনস্থা করার জন্য অপচেষ্টা চালান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিস্থিতি শান্ত হলে গাছগুলো গোপনে কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এদিকে, ভুক্তভোগী জমির মালিক শাহিনুর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন-প্রায় এক মাস ধরে কোনো নাম্বারিং ছাড়া এই বিশাল গাছগুলো আমার জায়গায় ফেলে রাখা হয়েছে। এতে আমার জায়গার ও কাজের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তারা মূলতঃ চুরির ধান্দায় আছে এবং সুযোগ খুঁজছে। "আনসার আলী ভুট্টু বলেন আজকে সকাল থেকে আমার জায়গায় বেশ কিছু গাছ কেটে নিয়ে এসে রেখেছে আমার অনুমতি ছাড়াই এবং আমি এই রাস্তার কোন সদস্য ও নই , আমার জায়গায় আমার কাছে রেখে তারা বিক্রির চেষ্টা করছে, সরকারি সম্পদ প্রকাশ্য দিবালোকে আত্মসাতের চেষ্টা এবং তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার কারনে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ছে স্থানীয় জনতা ও সাংবাদিক ভাই য়ে রা। বিগ সিন্ডিকেটের রাঘব বোয়াল বিট কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।