। রিজওয়ান নওগাঁ। সম্প্রতি প্রকাশিত এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল খুব সন্তোষজনক না হওয়ায় শিক্ষার্থী দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। অভিভাবক গন এই ফলাফল কে সহজে মেনে নিতে পারছেন না।শিক্ষার্থীও অভিভাবক দের ধারনা পরীক্ষার খাতা সঠিক ভাবে দেখা হয় নাই। এমন ও দেখা গেছে পাশ করেছে এমন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে পয়েন্ট হবে ৪.৯০/৯২, কিন্তু দেয়া হয়েছে ৪.৩৩। সুতরাং গড়মিলে ভরা,আবার ফোর সাবজেক্ট - এর নম্বর ও যোগ করা হয় নাই। -- এতে পয়েন্ট কমে গিয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের মনোবলও ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম। সম্ভবতঃ এই কারনেই পাশের সংখ্যা কমে গেছে এবং কোন কোন প্রতিষ্ঠান নীল বা ফাঁকা হয়ে গেছে, অর্থাৎ কেউ ই পাশ করে নাই। এরকমই একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার বালুভরা আর বি উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে চলতি বছরের প্রকাশিত ফলাফলে চার জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই ফেল করেছে, পাশের মুখ কেউ দেখে নাই। ফলে এই প্রতিষ্ঠানের পাশের হার শুন্য শতাংশে নেমে গেছে। ফল প্রকাশের পর শিক্ষক ও অভিভাবকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবকনাে জানান, “ছেলেরা পড়াশোনায় চেষ্টা করেছে, কিন্তু সারা বছর যথাযথ ক্লাস না হওয়ায় এই ফল।” অন্যদিকে কলেজের একজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং পাঠদানের ঘাটতির কারণে এই ফলাফল হয়েছে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডেজিআরা পারভিন বলেন, “আমাদের চারজন শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। এনটিআরসিএ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বাসা দূরে হওয়ায় তারা নিয়মিত কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থীরাও আগ্রহ হারিয়েছে।” শিক্ষাবিষয়ক অভিঞ্জ ব্যক্তিবর্গের অভিমত বদলগাছীর অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ও শিক্ষকদের জবাবদিহিতার যথেষ্ঠ প্রয়োজন রয়েছে । শিক্ষার্থীদের ও উচিৎ নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা। এতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নত করা সম্ভবপর।