
। রিজওয়ান নওগাঁ। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর মুসলিম সম্প্রদায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদতের মাস ” রমজানুল মুবারক “– শুরু হয়েছে। এই মাসে ধনী,গরূব,দিনমজুর, ভিখারি প্রত্যেকেই একটু খানি হলে ও ভালো কিছু খাবার গভীরভাবে প্রত্যাশা করে কিন্তু দেখা যায়, এই মাসেই সকল পন্যসামগ্রিই অধিক দামে বিক্রি হয় যা অতি সাধারণ হতদরিদ্র বা খেটে খাওয়া জনমজুরদের নিকট আকাশ ছোঁয়ার মতো। ফলে তারা শুধু মাত্র বেঁচে থাকার তাগিদে মুড়ি ও সেমাই দিয়ে তাদের রোজা ভঙ্গ করেন। তাদের কপালে জোটে না পেঁয়াজু,বেগুনি, বুট,বন্দিয়া,খেজুর সহ দামী উপাদেয় খাবার। সকল সবজি সহ আঙ্গুর,আপেল,কমলা,মাল্টা, প্রভৃতি ফল ফলাদি তো তো ছঁতেই পারেন না হতদরিদ্র রোজাদারগন। কিন্ত রেডিও ও টিভি – র খবরের সঙ্গে বাজার দরের কোন মিল নেই। রমজানর প্রথমেই নওগাঁ জেলার উল্লেখযোগ্য নজিপুরের নতুন হাট, কাঁচাবাজরের সবজি বাজার, আমবাটি হাট,পত্নী তলার সবজির মোকামে ঘুরে দেখা যায় সকল পন্যসামগ্রির দাম আগের তুলনায় প্রতি কেজিতে ১০ টাকা—-১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ক্রেতারা হতভম্ব হয়ে পড়ছেন। এভাবে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বেশি চাপের মধ্যে পড়েছে, কারণ রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। প্রতিদিনের ইফতার ও সেহরির আয়োজনের জন্য পেঁয়াজ একটি অপরিহার্য উপাদান। তাই হঠাৎ এমন মূল্যবৃদ্ধি সংসারের বাজেটে বড় সড় ধাক্কা ফেলছে। ক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুতেই যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে পুরো মাসজুড়ে বাজার সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে। সচেতন মহলের দাবি, বাজার মনিটরিং জোরদার করে কৃত্রিম সংকট ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা একান্ত জরুরি। রমজানের পবিত্রতাকে সম্মান জানিয়ে ব্যবসায়ীদেরও মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ও কোন ফল হচ্ছে না। আশা করা যায়, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারের আকাশছোঁয়া অবস্থা দ্রুতই কেটে যাবে। এবং নৈমিত্তিক পন্য যেমন,পেঁয়াজ, রশুন,মশলা,বেগুন,করল্লা,লেবু ক্ষিরা,চিনি,ময়দা,বেশম,প্রভৃতির দাম নাগালের মধ্যে ই থাকবে। এতে স্বস্তি পাবে সাধারণ, হতদরিদ্র খেটে খাওয়া অবহেলিত জনতারা। রমজানের পবিত্রতা ও মাহাত্ম্যের দিক বিবেচনা করে নতুন সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সকল ক্রেতাসাধারণ গন।
Leave a Reply