
এ জেড ভূঁইয়া রাজু,সীতাকুণ্ড।। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪(সীতাকুণ্ড,আকবর শাহ ও পাহাড় তলী আংশিক)আসনে বিপুল সংখ্যা ভোট পেয়ে বিশাল জয় পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদ জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তাঁর এই বিজয়ের পর এখন সীতাকুণ্ড উপজেলার সাধারণ মানুষের মনে নতুন এক আকাঙ্ক্ষা দানা বেঁধেছে। স্থানীয় ভোটার,ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের দাবি-বিগত দেড় যুগের উন্নয়ন বঞ্চনা দূর করতে এবং চট্টগ্রাম জেলার শিল্পাঞ্চল খ্যাত ও জন গুরুত্বপূর্ণ সীতাকুণ্ড উপজেলা কে আধুনিকায়ন করতে লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ কে আসন্ন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হোক। সীতাকুণ্ড উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ,চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চল হিসাবে খ্যাত ও অনেক গুরুত্ব পূর্ণ উপজেলা হওয়া সত্ত্বেও বিগত সরকারের সময়ে এই জনপদ আশানুরূপ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।স্থানীয়দের মতে, অতীতে যখনই এই আসন থেকে কেউ মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন,তখনই এলাকায় রাস্তাঘাট,খাল- বিল ও অবকাঠামোগত বড়ো পরিবর্তন এসেছে।বিশেষ করে প্রয়াত এল কে সিদ্দিকীর সময়ে মন্ত্রিত্বের সুবাদে এলাকায় যে পরিমাণ কাজ হয়েছিল,সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে লায়ন আসলাম চৌধুরী কে মন্ত্রিসভায় দেখার বিকল্প নেই বলে মনে করেন তারা।বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী বিভিন্ন সময়ে সীতাকুণ্ডের রাজপথে সক্রিয় থেকে দলের তৃণমূলকে সুসংগঠিত করেছেন। এমনকি স্বৈরাচার সরকারের সময় দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর কারাবরণ কালীন সময়েও তৃণমূল নেতা কর্মীদের সক্রিয় রাখতে তাঁর দিক নির্দেশনা বিরাজমান ছিল।সীতাকুণ্ড উপজেলার”বিএনপির মুরাদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,সেক্রটারি আবু জাফর,ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ পিন্টু,ওর্য়াড যুব দলের সভাপতি মো:কোরবান আলী ও যুব দলের মোঃ সালাউদ্দিন সহ কয়েক জনের অভিমত,লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ মাটি ও মানুষের নেতা।তিনি মন্ত্রিত্ব পেলে আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা পাহাড় নিধন,বালু উত্তোলন ও বেকারত্ব দূরীকরণ পদক্ষেপ গ্রহণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে দ্রুত সমাধান হবে এটি এখন পুরো সীতাকুণ্ড বাসির প্রাণের দাবি।’বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন,আসন্ন সরকারে চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনের প্রতিনিধিত্ব থাকা জরুরি।তারা বলেন,লায়ন আসলাম চৌধুরী কে মন্ত্রী করা হলে কেবল সীতাকুণ্ড নয়,পুরো চট্টগ্রাম জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের এই বিশাল জয় প্রমাণ করেছে তৃণমূলের মানুষের কাছে লায়ন আসলাম চৌধুরী কতটা জনপ্রিয়।এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভায় সীতাকুণ্ড বাসীর এই আশা পূর্ণ হয় কি না।
Leave a Reply