1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ
June 10, 2026, 12:39 am
Title :
সমাজ গঠনে স্বেচ্ছাসেবা সময়ের এক অনিবার্য দাবি নওগাঁর বদলগাছি জনস্বাস্থ্য অফিসের গাছ নিখোঁজের ঘটনায় নতুন মোড়: চাঁদা দাবির অভিযোগ, তদন্তে উঠে আসছে নানা তথ্য ধামইরহাটে তরুণীর অশ্লীল ছবি অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগে টাঙ্গাইল থেকে যুবক গ্রেপ্তার ব্যাকডেটের নিয়োগে এমপিও বাণিজ্যের অভিযোগ নওগাঁর মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে চার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তোলপাড়, তদন্তে ঘুষ লেনদেনেরও অভিযোগ প্রতিবন্ধিতা ও জেন্ডার সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি হ্রাসে আমাদের দায়িত্ব নারী ও কিশোরী বান্ধব পরিবেশ চাই নওগাঁয় ভ্যান চালক বেলাল হোসেনের উদ্যোগে পড়ুয়াদের মাঝে কলম ও টিফিন বিতরণ। নিয়ামতপুরে পুলিশ সুপারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে কারিতাস বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ওয়ান স্টপ সলিউশন সেন্টার স্থাপনের সম্ভাবনা বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত নওগাঁয় মধ্যরাতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • Update Time : রবিবার, মে ১৭, ২০২৬
  • 121 Time View

শান্তি আক্তার :ওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীরা অভিযোগ করেন, নিয়মিত পরিদর্শনের আড়ালে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ দাবি করছেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, পরিদর্শনের আগের দিন তার গাড়িচালক মো. এজাজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফোন করে জানান যে, “ডিইও স্যার” পরদিন তার প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে যাবেন এবং স্যারের জন্য ২ থেকে ৩ হাজার টাকা সম্মানী হিসেবে প্রস্তুত রাখতে হবে। এছাড়াও কোনো প্রতিষ্ঠানে কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে কিংবা কোনো শিক্ষক দেরিতে উপস্থিত হলে তাদের জেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা করতে বলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কোন প্রতিষ্ঠানের বা কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দিলে তিনি তদন্ত না করে কালক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে সেই অভিযোগ ধামাচাপা পরে যায়। এতেকরে অভিযুক্তদের কাছে থেকে  অবৈধ সুবিধা নেওয়ার রাস্তা সহজ হয়ে যায়। নাম প্রকাশে একাধিক শিক্ষক জানান, কিছু প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগে তার পছন্দের খাবারের তালিকা জানিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেই অনুযায়ী আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে। এছাড়াও তাকে এবং তার ড্রাইভারকে টাকা দিতে হয়। আমাদের ইচ্ছে না থাকলেও এক প্রকার বাধ্য হয়েই এই টাকা দিতে হচ্ছে। স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের দাবি, রাজশাহী শিক্ষা অফিসের আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিডি) তার বিয়াই হওয়ায় সেই প্রভাব খাটিয়ে তিনি এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে কেউ ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এ ঘটনায় শিক্ষক সমাজ ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি কারও কাছে টাকা নিইনি। তবে আমার ড্রাইভার টাকা নিতে পারে। আমি তাকে নিষেধ করে দিবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST