
। রিজওয়ান নওগাঁ। নওগাঁ জেলায় বর্তমানে চলছে পেট্রোল ও অকটেনের হাহাকার। বাইক প্রেমীরা৷ এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে হন্যে হয়ে ছুটছে শুধু মাত্র এক লিটার পেট্রোল অথবা অকটেনের আশায়। এ যেন মরুভূমির মাঝে এক ফোটা জলের আশায় ছুটে চলার মতো। দূরের চিকচিক করা বালুকনাকে জলের আধার মনে করে তৃষ্ণার্ত মরুযাত্রীরা মরিচিকার মতো ছোটে ঠিক তদ্রূপ বাইকপ্রেমীরা দিশেহারা হয়ে পাম্পে পাম্পে ছুটোছুটি করছেন। যদি ও কোন পাম্পে তেল দেয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ১০০ বা ২০০ টাকার পেট্রোল। এর পরিমাপ সঠিক হচ্ছে কি না তাও বুঝার উপায় নেই। বিশেষ করে এনজিওকর্মীরা রাত বারটায় এসে সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষা করছেন। হাজারো মোটরসাইকেলের সিরিয়াল। ঠিক এমনই দৃশ্য আজ সোনালী ফিলিং স্টেশন ( পদ্মা ফিলিং, আগের নাম) এ পরিলক্ষিত হয়। আগত বাইক প্রেমীদের ভাষ্যমতে, কর্তৃপক্ষের উচিত সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা। আগতরা সমস্বরে চিৎকার করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, তেলের পাম্পে যদি গাড়ির লাইসেন্স বা মোবাইল কোড দেওয়া হোক। তাহলে অবৈধ গাড়ি চলাচল অনেকটাই কমে যাবে। কারণ যাদের গাড়ির কোনো কাগজপত্রই নেই, তারা এমনিতেই পাম্পে যেতে সাহস পাবে না। এতে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং আইন মেনে চলার প্রবণতাও বাড়বে। বাইক প্রেমীদের দাবি, অতি দ্রুত এই ভোগান্তির সমাপ্তি ঘটবে।
Leave a Reply