
। রিজওয়ান নওগাঁ। নওগাঁ জেলার জনসাধারণ নদীর ভাঙ্গন বিষয়ে অজ্ঞ। কেননা নওগাঁয় আত্রাই, ছোট যমুনা,তুলসীগঙ্গা এবং পোরশা উপজেলায় পূর্ণভবা ছাড়া আর কোন নদী নেই, এদের ভাঙ্গনের রুদ্র রূপ চোখে পড়ে না তবে,বরষায় আত্রাই মাঝে মাঝে ভয়ংকর রুদ্রাণী রূপ ধারণ করলেও জনপদবা লোকালয় কিংবা গ্রাম কে গ্রাম বিলীন করে দেয়ার খুব একটা নজির নেই। তিস্তা বা মেঘনার ভাঙ্গনের মুখোমুখি হওয়া মানুষ দের দেখলে আমরা ভ্রুক্ষেপহীন ভাবে ভ্রু কুঁচকে তাচ্ছিল্য ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি। কিন্তু বাস্তবে ঘরবাড়ি, জমিজিরাত, সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব অসহায় হয়ে তারা আমাদের দ্বারে দ্বারে এসে হাত পেতে ভিক্ষে করে।কোন সুদূরের কুমিল্লা চাঁদ পুরের উত্তর মতলবের নিবাসী মোঃ আলাউদ্দিন (৪৭) এবং তাঁর স্ত্রী রওশন আরা (৩৭) চরইসলামপুর, মেঘনার ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নওগাঁ জেলার পত্নী তলা উপজেলার আমবাটি মোড়ের দোকানে দোকানে হাত পেতে সাহায্য চাইছে। হায় রে নিয়তি ! তুমি আজ বন্দি, মেঘনার করালগ্রাসে তুমি আজ বন্দিনী।কত শত আবাল- বৃদ্ধ – বনিতা আজ নওগাঁ জেলার নজিপুরে অস্থায়ী ভাবে জীপসির মতো রয়েছে, উদ্দেশ্য একটাই, পরিবার পরিজন নিয়ে নতুন ঠিকানায় নতুন কোন অজানার উদ্দেশ্যে নীড়ের খোঁজে
Leave a Reply