1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে নওগাঁ জেলা পুলিশের সাফল্য: অজ্ঞান করে হত্যা ও স্বর্ণালংকার লুটের রহস্য উদঘাটন, দুইজন গ্রেফতার
July 17, 2026, 4:27 am
Title :
পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে নওগাঁ জেলা পুলিশের সাফল্য: অজ্ঞান করে হত্যা ও স্বর্ণালংকার লুটের রহস্য উদঘাটন, দুইজন গ্রেফতার নওগাঁয় দেশীয় চোলাই মদ সহ এক নারী নেশা বিক্রেতা আটক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে নওগাঁ জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা নিবেদন লিভার ও হৃদরোগে কর্মহীন কালাম, চিকিৎসার টাকার অভাবে বাঁচার আকুতি নওগাঁর পত্নীতলায় কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের জন্য কৃষকের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্ধোধন পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় রাণীনগর থানার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান: আন্তঃজেলা গরু চোর/ডাকাত চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার নওগাঁর পত্নীতলায় হানিট্র্যাপ ও ওয়েব পেজ ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার মান্দা থানা বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নওগাঁয় শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ মহেশপুরে পুলিশের রাতভর অভিযানে ১৩ লাখ ৩২ হাজার টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার, আটক ৪

পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে নওগাঁ জেলা পুলিশের সাফল্য: অজ্ঞান করে হত্যা ও স্বর্ণালংকার লুটের রহস্য উদঘাটন, দুইজন গ্রেফতার

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
  • 37 Time View

 শান্তি আক্তার :নওগাঁ প্রতিনিধি নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক মো. শহিদুল আলম (৮২)-এর স্ত্রী মোছা. ফাতেমা খাতুনকে অজ্ঞান করে হত্যা এবং স্বর্ণালংকার লুটের চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে নওগাঁ জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হাসিনা বেগম এবং লুট করা স্বর্ণালংকার কেনার অভিযোগে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ২৩ জুন নওগাঁ শহরের চুড়িপট্টি এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী কৌশলে ফাতেমা খাতুনকে রিকশায় তুলে অজ্ঞান করে তার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ২৬ জুন সকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পরপরই নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে নওগাঁ সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তদন্তকারী দল শহরের ৮০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাটা বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে জনসাধারণের সহায়তায় ১৫ জুলাই নওহাটা এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হাসিনা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ড ও লুটের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন হাসিনা বেগম উকিলপাড়ায় সম্ভাব্য শিকার খুঁজছিলেন। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথা বলে তিনি অধ্যাপক শহিদুল আলম ও তার স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের সঙ্গে পরিচিত হন এবং ওষুধ কেনার অজুহাতে চুড়িপট্টি এলাকার একটি ফার্মেসির সামনে নামেন। এ সময় অধ্যাপক শহিদুল আলম মিষ্টি কিনতে গেলে হাসিনা বেগম কৌশলে ফাতেমা খাতুনকে রিকশায় তুলে অন্যত্র নিয়ে যান। পুলিশ আরও জানায়, হাসিনা বেগমের কোলে আড়াই থেকে তিন বছর বয়সী একটি শিশু ছিল, যাকে তিনি অপরাধ সংঘটনের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করতেন। রিকশায় তিনি জুসের সঙ্গে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ফাতেমা খাতুনকে পান করান। অচেতন হয়ে পড়লে তার শরীর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে নেন এবং পরে নওগাঁ শহরের ময়লাপট্টি এলাকায় নদীর পাড়ে একটি বেঞ্চে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাতেমা খাতুন মারা যান। তদন্তে আরও জানা যায়, লুট করা স্বর্ণালংকার হাসিনা বেগম ৫০ হাজার টাকায় জোয়ারদার জুয়েলার্সের ব্যবসায়ী ইমরানের কাছে বিক্রি করেন। পরে পুলিশ ইমরানকে গ্রেফতার করলে তিনি হাসিনা বেগমের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার কেনার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ প্রসঙ্গে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ শহরে যেকোনো ধরনের অপরাধ, বিশেষ করে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা কঠোর হাতে দমনে নওগাঁ জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST