
সাদ্দাম খুনের মামলা নিয়ে ময়মনসিংহে তীব্র সমালোচনা
ঠুনকো যুক্তি দাড় করিয়ে খুনের ঘটনায় রাফেল নামের এক ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে।পুলিশ প্রশাসন তথা বাদীর এহেন ঘটনা নিয়ে ময়মনসিংহে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।শহরের আকুয়া উত্তর পাড়া সাদ্দাম নামের এক ব্যক্তি খুন হয়। একই ঘরে বসে দু’জনে মাদক সেবন করে, বিরোধের পর সাদ্দাম তার সহপাটি সাদ্দামকে গলা কেটে খুন করে। ঘটনার পর এলাকাবাসী অন্তরকে ধরে পুলিশে দেয়। তৎ সময়ে অন্তরের সহজ স্বীকারোক্তি ছিলো অন্তর একাই সাদ্দামকে খুন করেছে।পরে সাদ্দামের মা আছমা খাতুন কোতোয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা নং ৩৬ তাং- ৭/১০/২৬। সুত্র জানায়, নিহত সাদ্দামের মা আছমা খাতুন কোতোয়ালী থানায় একেক সময় একক ধরনের অভিযোগ দায়ের করেন। কোনটাতে ৯ জন আসামী, আবার কোনটাতে ৬ জন আসামী। অবশেষে ৫ জন আসামী করে অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশ নিয়মিত মামলা রুজু করেন। এ ক্ষেত্রে ঘটনা স্থলে উপস্থিত থাকা বা মামলায় আসামী থাকা কারো সাথে ৫ নং আসামী রাফেলের কোন যোগ সুত্র না থাকলেও তাকে আসামী করা হয়। এ ঘটনাটি শহরে টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। মামলার বাদী আছমা (৫৬) অভিযোগ করেন, রাফেল অপরাপর আসামীদের দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের সহিত ঝগড়া বিবাদ লাগাইত। এই নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়ে বিরোধ রয়েছে। গত ৬ অক্টোবর বেলা অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় আকুয়া উত্তরপাড়া সাদ্দাম এর নিজ ঘরে সাদ্দাম খুন হয়। এলাকাবাসীর জানায়, অন্তর নিজ ঘরে সাদ্দামকে নিয়ে মাদক সেবন করছিল। এ সময় নেশায় কাবু হওয়ায় অন্তরের স্ত্রীকে সাদ্দাম জড়িয়ে ধরলে, অন্তর সাদ্দামকে খুন করে। এসময় ঘরে তারা ৩ জনের অধিক লোক ছিলোনা। কিন্তু মামলায় ৫ জন আসামী হওয়ায় এলাকায় তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।
Leave a Reply