1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
ব্যাকডেটের নিয়োগে এমপিও বাণিজ্যের অভিযোগ নওগাঁর মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে চার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তোলপাড়, তদন্তে ঘুষ লেনদেনেরও অভিযোগ
June 17, 2026, 2:51 pm
Title :
চৌগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও বৃক্ষ রোপণ পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মিথ্যা অভিযোগে আদালতের কর্মচারীকে হয়রানি, ‘উড়ো চিঠির’ নেপথ্যে কারা? সংসদ সদস্য টিপুর পক্ষ থেকে ১১৭ টি অসহায় পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ মামলা করে ‘আমার বাল তুলবি তোরা’ জনসম্মুখে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, অবশেষে গ্রেফতার আসামি মতিন নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা নওগাঁয় সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন: কুলাঙ্গার দুই ছেলে গ্রেফতার বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস নওগাঁর বহুল পরিচিত আমবাটি বাজার বনিক কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

ব্যাকডেটের নিয়োগে এমপিও বাণিজ্যের অভিযোগ নওগাঁর মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে চার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তোলপাড়, তদন্তে ঘুষ লেনদেনেরও অভিযোগ

  • Update Time : মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬
  • 67 Time View

 শান্তি আক্তার :নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে (৬ষ্ঠ-৮ম, EIIN-134294) ২০২২ সালে চার শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ও বিপুল অর্থের বিনিময়ে ২০০২ ও ২০০৪ সালের ব্যাকডেটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও ম্যানেজিং কমিটির কাগজপত্র ব্যবহার করে অবৈধভাবে চারজন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্র, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান স্টাফ এবং সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের একাধিক বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এলাকাজুড়ে এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একযোগে ঘোষিত এমপিও তালিকায় স্কুলটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ওই চার শিক্ষক এমপিওভুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে সাধারণ গণিত বিষয়ে নিয়োগ পাওয়া আহমেদ আউয়াল নামক শিক্ষকের ডিগ্রি পাস কোর্সে তৃতীয় বিভাগ রয়েছে। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন সেলিম পারভেজ শরীরচর্চা, বুলবুলি রানী কে কাব্যতীর্থ ও কাঞ্চন কুমার নামক কৃষি ডিপ্লোমাধারী শিক্ষক। অথচ তাদের কারোই এনটিআরসিএ নিবন্ধন নেই। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ২০১১ সাল থেকে হওয়া অনলাইন ব্যানবেইজ জরিপ, স্কুলের হাজিরা খাতা এবং স্থানীয়দের সাক্ষ্য প্রমাণ করে যে এসব শিক্ষক ২০১৫-১৬ সালের আগে কখনো ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেননি। পরে এসে ব্যাকডেটের নথি ব্যবহার করে তারা নিয়োগ নেন। স্কুল প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সামসুল আলম মিলন, আব্দুল জলিল, শ্রী দিবাকর ও আলমগীর কবিরসহ সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক কর্মচারী বলেন, “আমার জানা মতে অভিযোগে উল্লেখিত চারজন শিক্ষককে ২০১৫ সালের আগে কখনো বিদ্যালয়ে দেখিনি। তবে তাদের নিয়োগ কীভাবে হয়েছে বা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কী ঘটেছে সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম। অভিযোগে উল্লেখিত চারজন শিক্ষককে আমার শিক্ষাজীবনের সময় কখনো বিদ্যালয়ে দেখিনি। এমপিও হওয়ার পর হঠাৎ শুনছি তারা বহু আগের শিক্ষক। যদি পূর্বে কর্মরত না থেকেও ব্যাকডেট বা পূর্বের তারিখ ব্যবহার করে কোনো নিয়োগ হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পাশাপাশি নিবন্ধিত ও যোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।” এদিকে নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ এবং অডিট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক সঞ্জয় চন্দ্র মণ্ডল সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। তদন্তের পাশাপাশি তিনি নিরীক্ষা কার্যক্রমও সম্পন্ন করেন। তবে স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছে, পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করতে হবে, অন্যথায় বিরূপ প্রতিবেদন দেওয়া হতে পারে। যদিও এ অভিযোগের স্বপক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক সঞ্জয় চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “আমি বিদ্যালয়টিতে নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ এবং অডিট উভয় বিষয়ে তদন্ত করেছি। আমাদের নির্ধারিত কিছু ফরম্যাট ও প্রক্রিয়া রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে আমরা আমাদের প্রতিবেদন দাখিল করব।” তদন্ত প্রভাবিত করতে অর্থ লেনদেন বা ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো বিষয়ে আমার সঙ্গে কারও কথা হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে দেখব, কেন অর্থ উত্তোলনের কথা বলা হয়েছে বা এর পেছনে কোনো কারণ আছে কি না।” অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং প্রতিবেদককে বিদ্যালয়ে এসে সরাসরি সাক্ষাৎ করে আলোচনা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ভাই, আসেন। সামনাসামনি কথা হবে।” তবে অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্নের জবাব তিনি ফোনে দিতে চাননি। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, অযোগ্য ও অনিবন্ধিত শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে এনটিআরসিএ নিবন্ধিত মেধাবী শিক্ষকদের নিয়োগের দাবি জানান। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST