
স্টাফ রিপোর্টার:
বাউল গান হলো আবহমান বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ও অবিচ্ছেদ্য ধারা, যা মূলত বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধনগীত। এটি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এর গভীরে লুকিয়ে আছে আধ্যাত্মিক দর্শন, মানবতা এবং জীবন জিজ্ঞাসা।
সেই মাটির গান ও বাউলসংগীতের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন বাউলশিল্পী রুমী সরকার। সম্প্রতি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বেস্ট এন্টারপ্রেনার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উদ্যোক্তা, ব্র্যান্ড প্রমোটর ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সনদ বিতরণের পাশাপাশি শিক্ষা, সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করা হয়।
দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান অপূর্বর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন তমা রশিদ।
প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তথ্যসচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দা মাহজাবীন, ইকবাল বাহার জাহিদ, এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপক ভাবনা আহমেদ এবং দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট নাসরিন জামান মনি।
আয়োজকরা জানান, উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের কাজের স্বীকৃতি দিতে সংগঠনটি নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলার লোকজ সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাউলগান।
এ গানের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবন, মানবিকতা, প্রেম-বিরহ ও আধ্যাত্মিক ভাবনা প্রকাশ পায়। মাটির গান ও বাউলসংগীতের চর্চায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রুমি সরকারের এ সম্মাননা লোকজ সংস্কৃতির শিল্পীদের কাজকে আরও উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply