
বাবু মিলন চন্দ্র দেবনাথ, নওগাঁ। আসন্ন নওগাঁ পৌরসভা নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাংবাদিক আলমগীর কবির (বাবু)। তাঁর এই প্রার্থিতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যে বেশ ইতিবাচক আলোচনা ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। পরিচিতি ও সামাজিক সম্পৃক্ততা ১৯৮৮ সালে নওগাঁ শহরের কোমাইগাড়ি এলাকায় এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া আলমগীর কবির বাবু পেশাগতভাবে সাংবাদিকতা ও স্ট্যাম্প বিক্রির সঙ্গে যুক্ত। পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও তিনি জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, কোমাইগাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, কমল সংসদ (বালুডাঙ্গা বাস টার্মিনাল) এবং নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমেও তাঁর সরব উপস্থিতি রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। আলমগীর কবির বাবু মনে করেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করা। দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে পথ চলার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে আলমগীর কবির বাবু বলেন, ”আমি ১ নম্বর ওয়ার্ডের সন্তান। দল-মত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এলাকার সব মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। নির্বাচিত হলে ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নয়, বরং ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নাগরিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করব।” পাশাপাশি মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধ, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা সহজলভ্য করার জোরালো প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। আলমগীর কবির বাবুর প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিতি ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাইজুল ইসলাম তাজু (বাসিন্দা, উকিলপাড়া মহল্লা): “আলমগীর কবির বাবুকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি সর্বসাধারণের সঙ্গে মিশে চলেন। তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ মাদক ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।” স্থানীয় এক স্কুল শিক্ষক: “আমাদের এলাকায় রাস্তাঘাট, ড্রেন, সড়কবাতি এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের মতো কিছু মৌলিক সমস্যা রয়েছে। আমরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চাই, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছরই জনগণের পাশে থাকবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন।” সামাজিক পরিচিতি এবং এলাকার উন্নয়নে আলমগীর কবির বাবুর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা স্থানীয়বাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী মাঠে তিনি ভোটারদের কতটা আস্থায় পরিণত করতে পারেন।
Leave a Reply