1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
চুয়াডাঙ্গায় কর্মশালায় একই মুখ বারবার, বঞ্চিত হচ্ছেন অন্য সাংবাদিকরা
June 18, 2026, 3:41 am
Title :
চুয়াডাঙ্গায় কর্মশালায় একই মুখ বারবার, বঞ্চিত হচ্ছেন অন্য সাংবাদিকরা বিচারের বানী নিরবে নিভৃতে কাঁদে আদালতে চলমান মামলা উপেক্ষা করে জোর পুর্বক বসত বাড়ি ভাংচুর সহ দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দায়ের। চৌগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও বৃক্ষ রোপণ পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মিথ্যা অভিযোগে আদালতের কর্মচারীকে হয়রানি, ‘উড়ো চিঠির’ নেপথ্যে কারা? সংসদ সদস্য টিপুর পক্ষ থেকে ১১৭ টি অসহায় পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ মামলা করে ‘আমার বাল তুলবি তোরা’ জনসম্মুখে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, অবশেষে গ্রেফতার আসামি মতিন নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা নওগাঁয় সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন: কুলাঙ্গার দুই ছেলে গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গায় কর্মশালায় একই মুখ বারবার, বঞ্চিত হচ্ছেন অন্য সাংবাদিকরা

  • Update Time : বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬
  • 13 Time View

 জীবননগর,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, ফ্যাক্ট-চেকিং, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ, নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একের পর এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হলেও অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় বারবার একই মুখ। এতে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ বুধবার (১৭ জুন) ৪০ জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট-চেক, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আগে গত ৮ জুন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে সচেতনতা ও ফ্যাক্ট-চেকিং শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া গত এপ্রিলে ‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন’ বিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং গত ফেব্রুয়ারিতে ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, এসব কর্মসূচির উদ্দেশ্য সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি হলেও অংশগ্রহণের সুযোগ বরাবরই সীমিত কয়েকজনের মধ্যেই আবদ্ধ থাকছে। ফলে জেলা এবং উপজেলায় কর্মরত অধিকাংশ সাংবাদিক প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সচেতন মহলের প্রশ্ন, সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির নামে আয়োজিত কর্মসূচিগুলো কি সবার জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত, নাকি একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে সুযোগগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে? অংশগ্রহণকারী নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না হলে এ প্রশ্ন আরও জোরালো হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও এনটিভির অনলাইন করস্পন্ডেন্ট মো. রিপন হোসেন বলেন, “প্রশিক্ষণ কর্মশালাগুলো সরকারি অর্থায়নে আয়োজন করা হয়। কিন্তু অংশগ্রহণকারীদের তালিকা দেখলে মনে হয় এটি নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত। বছরের পর বছর একই ব্যক্তিরা সুযোগ পাচ্ছেন। এসব কর্মশালায় নতুন বা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের ডাকা হয় না। চ্যানেল নাইনের চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, যারা নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহে মাঠে কাজ করেন, তাদের অনেকেই কোনো প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান না। অথচ একই ব্যক্তিরা একের পর এক কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। আবার কয়েকজন আছেন যারা প্রবীণ কিন্তু বর্তমানে সাংবাদিকতা করেন না তারাও বারবার কর্মশালায় থাকছেন। এতে প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, অংশগ্রহণকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। জেলার সব গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বিত তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সুযোগ দেওয়া হলে দক্ষতা বৃদ্ধির সুফল আরও বিস্তৃত হবে। তাদের মতে, বর্তমান সময়ে ভুয়া তথ্য, গুজব, অপতথ্য ও ডিজিটাল বিভ্রান্তি মোকাবিলায় প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। তবে প্রশিক্ষণের সুযোগ যদি নির্দিষ্ট কয়েকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে বৃহত্তর সাংবাদিক সমাজ তার সুফল থেকে বঞ্চিত হবে। দৈনিক আজকের পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি মেহেরাব্বিন সানভী বলেন, ‘জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি, জেলা জামায়তে ইসলামীর বর্তমান প্রচার সম্পাদক, ৫ থেকে ৬ জন শিক্ষক ক্লাস নেয়া বাদ দিয়ে কর্মশালায় থাকতে পারবেন। যারা নামমাত্র সাংবাদিক তারাও লাইন-ঘাট করে থাকতে পারবেন। অথচ, যারা নিরপেক্ষ সাংবাদিক, বলা যায় শুধুই সাংবাদিক তারা থাকতে পারবেন না। আসলে লেজুরবৃত্তির এসব কূটকৌশল ও অনিয়মের কারণেই আমি চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব থেকে পদত্যাগ করেছি গত ডিসেম্বরে। এছাড়া, এবারের কর্মশালা নিয়ে আমাকে স্নেহ করেন, এমন একজন সাংবাদিক নেতা বলেছিলেন। আমি শ্রদ্ধা ও বিনয়ের সাথে তাকে বলেছিলাম, আমি অনাগ্রহী। কারণ হিসেবে এটিও বলেছিলাম, ন্যায় যদি করা হয় অংশ নিতাম। বিষয়টি এমন যে আপনি আমাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন। কিন্তু যেমন অনেক যোগ্যকে আপনারা বার বার বঞ্চিত করছেন, অযোগ্যদের থেকে বার বার বিশেষ সুবিধা দেয়া-নেয়া হচ্ছে। এজন্য আমি অনাগ্রহী। অংশগ্রহণকারীদের তালিকা যোগ্যতা অনুসারে করা হোক, লেজুরবৃত্তি দিয়ে নয়। ’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST