1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
তরুণ প্রজন্মের এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি
September 20, 2026, 11:51 pm
Title :
শিশু অধিকার রক্ষায় ইএসজি (ESG) ও করপোরেট সাসটেইনেবিলিটি আগামী প্রজন্মের অধিকার ও টেকসই উন্নয়ন: সংকটে ও সম্ভাবনায় আমাদের শিশুরা মানবাধিকার: শ্লোগান থেকে বাস্তবে রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ ও দিনাজপুরের প্রেক্ষাপট রোজগারের উদ্দেশ্যে বিদেশ বিভুঁইয়ে গিয়ে লাশ হয়ে ফেরা,- এ যেন নিয়তির নির্মম পরিহাস কোটচাঁদপুরে ২০ পিস ইয়াবাসহ ২জন আটক। সমসাময়িক আইন বিষয়ে ও আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমে স্থানীয় নাগরিক সমাজ সংগঠনসমূহের অন্তর্ভুক্তিকরণপ্রবন্ধক গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় কৌশলগত নিষ্ক্রিয়করণ ও আমাদের করণীয় প্রবন্ধক দিনাজপুরের বিরলে জাঁকজমকপূর্ণ বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তরুণ প্রজন্মের এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রাবহে বিপন্ন কৃষি ও জীবিকা

তরুণ প্রজন্মের এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি

  • Update Time : রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
  • 17 Time View

তরুণ প্রজন্মের এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি: আত্মবিশ্বাসী যোগাযোগ দক্ষতা যাদব চন্দ্র রায় ভূমিকা: আজকের পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের মেধা ও সম্ভাবনা। তবে এই মেধাকে সফলতায় রূপান্তর করতে যে দক্ষতাটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তা হলো কার্যকর ও আত্মবিশ্বাসী যোগাযোগ দক্ষতা (Effective and Confident Communication Skills)। একজন তরুণ কতটা প্রতিভাবান, তা প্রকাশ পায় তার কথা বলা, অন্যের কথা শোনা এবং নিজের চিন্তাভাবনাকে অন্যের সামনে তুলে ধরার ক্ষমতার মাধ্যমে। তরুণ প্রজন্মের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবনের সার্বিক উন্নতির জন্য যোগাযোগ দক্ষতার গুরুত্ব অপরিসীম। তরুণদের জন্য যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ: স্পষ্টতা ও সংক্ষিপ্ততা (Clarity and Conciseness): যেকোনো বিষয়ে কথা বলা বা লেখার সময় অহেতুক দীর্ঘ না করে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা উচিত। সক্রিয়ভাবে শোনার অভ্যাস (Active Listening): ভালো বক্তা হওয়ার প্রথম শর্ত হলো ভালো শ্রোতা হওয়া। অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা ও বোঝার পর প্রতিক্রিয়া জানালে যোগাযোগের মান বহুগুণ বেড়ে যায়। শারীরিক ভাষা বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ (Body Language): যোগাযোগের ক্ষেত্রে মুখের কথার চেয়ে শারীরিক ভাষা অনেক বেশি প্রভাব ফেলে। সোজা হয়ে বসা বা দাঁড়ানো, চোখে চোখ রেখে কথা বলা (Eye Contact) এবং মুখে মৃদু হাসি রাখা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে। আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা (Emotional Intelligence): অন্যের আবেগ ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে কথা বলা। রাগ বা উত্তেজনার মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে ইতিবাচকভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করা জরুরি। ডিজিটাল যোগাযোগে সতর্কতা (Digital Etiquette): বর্তমান যুগে ইমেইল, মেসেজিং বা সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে সঠিক ভাষা ও শালীনতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আত্মবিশ্বাসের সাথে যোগাযোগে সক্ষম হওয়ার উপায়: ১. ভয় ও জড়তা দূর করা: ভুল করার ভয় ঝেড়ে ফেলে নিয়মিত কথা বলার অভ্যাস করতে হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা কাছের বন্ধুদের সাথে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলে জড়তা কাটানো যায়। ২. জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো: যে বিষয়ে কথা বলা হবে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকলে আত্মবিশ্বাস স্বতঃস্ফূর্তভাবে চলে আসে। এজন্য নিয়মিত বই ও পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করা উচিত। ৩. ইতিবাচক মানসিকতা: নিজেকে সবসময় ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করতে হবে। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও তা ভদ্র ও যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রকাশ করা শিখতে হবে। উপসংহার: তারুণ্যই হলো স্বপ্ন দেখার এবং তা বাস্তবায়নের শ্রেষ্ঠ সময়। আর এই যাত্রায় তরুণদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো তাদের যোগাযোগ ক্ষমতা। সঠিক ও আত্মবিশ্বাসী যোগাযোগের মাধ্যমে তরুণরা শুধু নিজেদের ক্যারিয়ারেই সফল হবে না, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নেও নেতৃত্ব দিতে পারবে। প্রবন্ধক: যাদব চন্দ্র রায় নির্বাহী পরিচালক, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (CDC), দিনাজপুর ও সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (BJSS), দিনাজপুর জেলা শাখা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST