1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় জেলা বিএনপির সভাপতি বাবু খানের নির্বাচনী পথসভা
September 9, 2026, 10:46 pm
Title :
আউশ ধানের দামে হতাশ চাষিরা কোটচাঁদপুরে মাদ্রাসা শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ৮ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস: আমাদের অঙ্গীকার ও করণীয় শান্তি বনাম অশান্তি প্রবন্ধক প্রকৃতির রুদ্ররূপ ও বিপন্ন মানবতা: নেপালের ক্ষত থেকে শিক্ষা নওগাঁয় কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি ‘কিশোর গ্যাং ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের স্থান হবে জেলখানায়’—পুলিশ সুপার নওগাঁয় বিএমডিএর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওগাঁর নজিপুরের প্রান কেন্দ্রের রাস্তার করুনাবস্থা কোটচাঁদপুরে বেপরোয়া বাস কেড়ে নিল হোটেল কর্মচারীর প্রাণ জলবায়ু সংকট ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রান্তিক জীবন: অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম ও টেকসই সমাধান

দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় জেলা বিএনপির সভাপতি বাবু খানের নির্বাচনী পথসভা

  • Update Time : রবিবার, নভেম্বর ২, ২০২৫
  • 151 Time View

মোঃ মুনাইম হোসেন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি: ——————————- বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, “দিনের ভোট রাতে হয়ে গেছে, আপনার ভোট অন্য কেউ দিয়ে গেছে। ভোটকেন্দ্রে আমি, আপনি, আমরা কেউই যেতে পারিনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন আমাদের কাছে এক দুঃস্বপ্নের মতো। ওই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন নির্ধারিত ছিল। ২৫ ডিসেম্বর এসপি সাহেব আমাকে ফোন করে বলেন, ‘বাবু সাহেব, কাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় যাবেন না।’ আমি জানতে চাই, কেন যাব না? তিনি বলেন, ‘আপনার নিরাপত্তা দিতে পারব না।’ তখন আমি বলেছিলাম, ‘আমি রাজনীতি করি, নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। নিরাপত্তা দেওয়া বা না দেওয়া আপনার বিষয়, আমি ঠিকই প্রচারণায় যাব।’ ২৬ তারিখ উথলীতে প্রচারণায় গেলে আমার সঙ্গে থাকা কর্মীদের রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরে আসতে হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো সহযোগিতা করেনি। হয়তো ২০১৮ সালে আমরা ভোট করতে পারিনি, কিন্তু আমাদের সংগ্রাম ও আন্দোলন বৃথা যায়নি।” শনিবার (১ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। ওই দিন তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মোট সাতটি পথসভা করেন। তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি প্রকাশ্যে দিবালোকে। কোনো দলের মতো গোপনে রাজনীতি করিনি, দলের ভেতর দল তৈরি করিনি। আমরা জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী, প্রকাশ্যে সব সময় একই কথা বলেছি আমরা বিএনপি করি, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি। আমরা কারও গোয়েন্দাগিরি করিনি, আমাদের ইমান বিক্রি করিনি, কেবলা পরিবর্তন করিনি। যারা আজ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, তারা এ দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।” চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, “১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা আমরা জানি। এখন তারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য মায়াকান্না করে। যারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের এই মায়াকান্না আসলে এক ধরনের বিভ্রান্তি। এ কারণেই তারা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য কিংবা কৃষির কথা বলে না। তারা শুধু বলে ‘বেহেশতের টিকিট বিক্রি’ এসব অচল কথা। এসব এখন আর চলে না। কীভাবে বেহেশতে যাওয়া যায়, তা আমরা জানি।” এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিলটন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলি ভুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম টুটুল প্রমুখ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST