1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
ভুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে প্রবাসী নারীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ
October 25, 2026, 9:57 pm
Title :
সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের মুক্তি ও সীতাকুণ্ড থানার ওসিসহ ২ কর্মকর্তার অপসারণ দাবি কোটচাঁদপুরে প্রতারণার শিকার আলমসাধু চালক জব্বার: নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় কারাবন্দির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। সীতাকুণ্ডে সাংবাদিক জয়নাল আবদিন গ্রেপ্তার: গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মহেশপুরে সেবা আদর্শ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ডেঙ্গু মশা নিধন কার্যক্রম সাংবাদিকদের নিয়ে নদীর তীরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পত্নীতলা থানা শাখার মাসিক আলোচনা সভার আয়োজন। চট্টগ্রামে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব নওগাঁয় শফিউল আযম টুটুলের নেতৃত্বে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলার চকনিরখীন বা ঠুকনি পাড়া বাজারে উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উৎযাপন। সীতাকুণ্ডে সারাদেশের ন্যায় শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু সীতাকুণ্ডে সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরে দূর্গাপূজায় বস্ত্র বিতরণ

ভুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে প্রবাসী নারীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ

  • Update Time : Friday, July 24, 2026
  • 87 Time View

 স্টাফ রিপোর্টার: লন্ডন প্রবাসী নুজহাত সারওয়াত তমার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫০ লাখ ৯২ হাজার ৭৬৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী প্রবাসীর দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে ব্ল্যাকমেইল করে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই মামলাটি সাজিয়েছে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে সি.আর. মামলা নং-৫৮১/২০২৬ শিরোনামে ঢাকার সিএমএম আদালতের ৯ নম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সৈয়দা শিনিয়াত নূরী। তিনি ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানীর মেয়ে এবং মহীদুদ্দীন আহমেদের স্ত্রী। এর আগে হাতিরঝিল ও রমনা থানায় মামলাটি করার চেষ্টা করা হলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে কোনো তদন্ত ছাড়াই সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী নুজহাত সারওয়াত তমা সাবেক যুগ্ম সচিব এবং কৃষক দলের সাবেক উপদেষ্টা ও আহ্বায়ক প্রয়াত ডক্টর মো. নূরুল ইসলামের মেয়ে। তার মা তেজগাঁও বয়েজ স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা। নুজহাত সারওয়াত জানান, তিনি ২০২৪ সাল থেকেই যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এবং বাংলাদেশে দায়ের করা এই মামলার ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। বাদীর সঙ্গে তার কখনো কোনো আর্থিক লেনদেন বা পরিচয়ও ছিল না। অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্যমতে, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে একটি বাংলাদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর (০১৩৫৫৯৭২৩২৮) থেকে নুজহাত সারওয়াত তমার কাছে মামলার একটি কপি পাঠানো হয়। সেখানে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকি দেওয়া হয় যে, টাকা না দিলে বাংলাদেশে থাকা তার পরিবারের সদস্যদের আসামি করা হবে, এমনকি তাকে হত্যা মামলার আসামি করারও হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় জানা যায়, ওই নম্বরটি হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার শেখ শামসুল হকের ছেলে শেখ এমদাদুল হকের। অভিযোগে আরও উঠে আসে, মামলার বাদী সৈয়দা শিনিয়াত নূরী, তার স্বামী মহিউদ্দীন আহমেদ, মা তোলাত জিলানী, ছোট বোন সৈয়দা সেরা মাহজাবিন এবং বোন জামাই নাহিয়ান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে ‘গ্লোবাল ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ভিসা কনসালটেন্সি’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমিগ্রেশন কনসালট্যান্ট’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভিসা দালালির সঙ্গে যুক্ত। ওই প্রতিষ্ঠানের আসল মালিক মো. সোহেল রানা হলেও তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, চক্রটির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বাদীর ছোট বোন সৈয়দা সেরা মাহজাবিন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ‘Community Careline Services Medway Limited’-এ কর্মরত থাকাকালে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে গত ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে চাকরিচ্যুত হন। মামলাটিতে সাক্ষী হিসেবে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—রাজশাহীর প্রীতি ইসলাম (২ নম্বর সাক্ষী), নারায়ণগঞ্জের রিফাত হোসাইন (৩ নম্বর সাক্ষী), ভোলার মিজানুর রহমান (৪ নম্বর সাক্ষী), মানিকগঞ্জের মিলন মিয়া (৫ নম্বর সাক্ষী), মৌলভীবাজারের রাজন দাস (৬ নম্বর সাক্ষী), চট্টগ্রামের মায়মুনা (৭ নম্বর সাক্ষী) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবিনা (৮ নম্বর সাক্ষী)। তারা সবাই উক্ত ভিসা প্রতিষ্ঠানের জেলা প্রতিনিধি ও দালাল হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। নুজহাত সারওয়াত তমার স্পষ্ট বক্তব্য, তিনি কোনো ভিসা কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত নন। মূলত এক কোটি ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মিথ্যা মামলাটি দিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এ চক্রের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের প্রতারণার তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। অনুসন্ধানেও কোনো ভিসা কনস্যুলেট বা দালালির সঙ্গে নুজহাত সারওয়াত তমার সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া যায়নি। মামলার বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকা সিএমএম মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আবার অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। একজন নিরপরাধ প্রবাসী হিসেবে মিথ্যা মামলা খারিজ ও এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নুজহাত সারওয়াত তমা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST