1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস: সুশাসন ও জনক্ষমতায়নের মূল চাবিকাঠি
September 30, 2026, 5:53 am
Title :
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৭ শোক বার্তা চিরিরবন্দরের পশ্চিম সাইতাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার রায়-এর প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ৯ নম্বর ভিয়াইল ইউনিয়নবাসীর প্রতি বিনীত নিবেদন ও দোয়া প্রার্থনা দক্ষিণ শিবপুর আবাসন প্রকল্প-২ এর উন্নয়ন ও সেবার অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস: সুশাসন ও জনক্ষমতায়নের মূল চাবিকাঠি ​নওগাঁয় তপোবন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ সীতাকুণ্ডে লোকবল সংকটে উপজেলা সমাজসেবা দপ্তর।।নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ছে নিবন্ধিত সংগঠন গুলি নওগাঁর পত্নী তলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৪ মহেশপুরে পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার নওগাঁর মান্দায় মসজিদের টয়লেট ও ওযুখানার উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস: সুশাসন ও জনক্ষমতায়নের মূল চাবিকাঠি

  • Update Time : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
  • 24 Time View

আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস: সুশাসন ও জনক্ষমতায়নের মূল চাবিকাঠি: যাদব চন্দ্র রায়………………. ভূমিকা: তথ্য মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে অন্যতম। তথ্য জানার অধিকার ব্যতীত মানুষের চিন্তা, বিবেক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পূর্ণ বিকাশ অসম্ভব। এই সত্যকে সামনে রেখেই প্রতি বছর ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস’ বা ‘তথ্য জানার সর্বজনীন প্রবেশাধিকার দিবস’। একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে জনগণের তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এই দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করে। তথ্য অধিকারের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশ: বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৭৬৬ সালে সুইডেন তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ২০০৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’ কার্যকর করা হয়। এই আইনটি পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার আইনি স্বীকৃতি লাভ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা, দুর্নীতি হ্রাস করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। সুশাসন ও জনক্ষমতায়নে তথ্য অধিকারের ভূমিকা: তথ্য অধিকার আইন কেবল তথ্য পাওয়ার সুযোগই তৈরি করে না, বরং এটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শক্তিশালী করে। যখন একজন নাগরিক রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, বাজেট এবং সরকারি সেবা সম্পর্কে সঠিক তথ্য সময়মতো পান, তখন তার ক্ষমতায়ন ঘটে। দুর্নীতি প্রতিরোধ: তথ্যের অবাধ প্রবাহ থাকলে অনিয়ম ও দুর্নীতি লুকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণ: স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মতো মৌলিক সেবাগুলোর বিষয়ে সঠিক তথ্য পেলে সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন হতে পারে। গণতান্ত্রিক চর্চা: তথ্যসমৃদ্ধ নাগরিকরাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, যা একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে অত্যন্ত জরুরি। তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য অধিকার ও এনজিওর ভূমিকা: বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও)। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিসি) এর মতো সংস্থাসমূহ তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় তথ্যের আলো পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, নারী, ও অবহেলিত মানুষদের তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন করার মাধ্যমে তাদের অধিকার রক্ষায় এসব সংস্থা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। যখন গ্রামীণ মানুষ জানবেন যে তথ্য পাওয়া তাদের কোনো দয়া নয়, বরং আইনি অধিকার, তখনই গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থার প্রকৃত রূপান্তর ঘটবে। মুক্ত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার গুরুত্ব: তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় অংশীদার হলেন সাংবাদিক সমাজ। বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বিজেএসএস) এর মতো পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলো মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চার মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও তথ্য তুলে ধরে। সাংবাদিকরা হলেন তথ্যের বাহক। তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম রুখে দেওয়া সম্ভব। একটি স্বাধীন ও নির্ভীক গণমাধ্যমই পারে তথ্য অধিকার দিবসকে অর্থবহ করে তুলতে এবং সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার পথকে মসৃণ করতে। উপসংহার: আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপনের দিন নয়, এটি হোক তথ্যের আলোয় সমাজকে আলোকিত করার এক নতুন অঙ্গীকার। তথ্য অধিকার আইনের সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, এনজিও কর্মী এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রয়াস। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব—এটাই হোক এই দিবসের মূল প্রত্যাশা। প্রবন্ধক: যাদব চন্দ্র রায় নির্বাহী পরিচালক, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (CDC), দিনাজপুর এবং সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (BJSS), দিনাজপুর জেলা কমিটি যোগাযোগ: মোবাইল: ০১৭১৬৮৭৮৮৪৪, ই-মেইল: cdcdinajpur@yahoo.com

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST