1. admin@agamirdorpon.com : admin :
  2. agamirdarpon@gmail.com : News admin :
  3. razzakmaheshpur@gmail.com : razzakmaheshpur :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে মাটির মা ফাউন্ডেশন-এর যুগপূর্তি উদযাপিত
September 26, 2026, 10:28 pm
Title :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে মাটির মা ফাউন্ডেশন-এর যুগপূর্তি উদযাপিত পুলিশ সুপারের নির্দেশে নওগাঁয় ছাত্রলীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে ১১ জন গ্রেপ্তার সীতাকুণ্ডে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু মশক নিধন পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ক্রাশ প্রোগ্রাম ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত ময়লা-আবর্জনায় বেহাল নওগাঁর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃদ্ধাপাড়া রোড, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ নওগাঁয় ১১ উপজেলার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে পরিচিতি ও আলোচনা সভা ​নওগাঁয় বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটির শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিক সভায় নতুন কমিটি গঠন শাহাপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী দিদার হোসাইন পাটোয়ারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে উপশম প্লাস, টেলিমেডিসিনে পৌঁছাচ্ছে আধুনিক চিকিৎসাসেবা বদলগাছীতে বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগারদের সারাদেশে ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে নওগাঁয় যুবদলের বিক্ষোভ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে মাটির মা ফাউন্ডেশন-এর যুগপূর্তি উদযাপিত

  • Update Time : শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
  • 9 Time View


পি. কে রায়, বিশেষ প্রতিনিধিঃ মাটির মা ফাউন্ডেশন-এর যুগপূর্তি উপলক্ষে ‘মায়ের ঘর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬ ‘ উদযাপিত হয়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) দিনব্যাপী। টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনবিহারের চুনিয়া কটেজে সকাল ১০ টায় যুগপূর্তি উৎসব উদ্বোধন করেন বরেণ্য সাংবাদিক ও কবি বাদল চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কবি মতিয়ারা মুক্তা’র সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশীদ, সাংবাদিক কাজী রফিক, কবি মাহমুদ কামাল। উৎসবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরকার জাকির হোসেন, মধুপুরের ইউএনও সাইফুল ইসলাম, মধুপুর থানার অফিস ইনচার্জ ফজলুল হক। যুগপূর্তি উৎসবে সারাদেশ থেকে প্রায় তিন শতাধিক কবি, শিল্পী, সাংবাদিক, সংগঠক অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সাংবাদিক ও কবি বাদল চৌধুরী বলেন,
মাটির মা ফাউন্ডেশন অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। আর আমি অপলক চোখে দেখেছি— একটি ছোট্ট বীজের মহীরুহে রূপান্তর। সূচনালগ্ন থেকেই মানবিকতার প্রদীপ হাতে নিয়ে, সংস্কৃতির সাতরঙা পাখা মেলে বিরামহীনভাবে উড়ে চলেছে— টাঙ্গাইলের শালিয়াবহ থেকে সারাদেশ, সীমান্ত পেরিয়ে বিশ্বময়।
তিনি আরও বলেন, মাটির মা ফাউন্ডেশন কোনো সাইনবোর্ড সর্বস্ব সংগঠন নয়, কোনো কমিটির খাতায় আটকে থাকা নাম নয়, এটি একটি আত্মার প্রত্যাবর্তন। মাটির দিকে ফিরে চলার নিরবিচ্ছিন্ন সুফি কাফেলা।
আমি বিশ্বাস করি, সংগঠনের কেন্দ্রীয় মায়ের ঘরটি আর কোনো একক ঘর নয়, সেটি বিশ্বের প্রতিটি হৃদয়ে একটি করে ঘর হয়ে গেছে। যদি আমরা মাটিকে ধারণ করতে পারি, মানুষকে বরণ করতে, স্রষ্টাকে স্মরণ করতে পারি— তাহলেই তো আমাদের মুক্তি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি বলেন, বারো বছর ধরে স্বমহিমায় টিকে রয়েছে মাটির মা ফাউন্ডেশন, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

আমি সংস্কৃতি পরিবারের সন্তান, আমার চাচা লোকমান হোসেন ফকির ছিলেন বরেণ্য সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিদের অন্যতম। সারজীবন সুর সংগীতের সাধনা করে গেছেন।

আর যুগপূর্তি অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয়েছে আমার পরম শ্রদ্ধেয় চাচা, আমার জীবনের বটবৃক্ষ, জাতীয় সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা গীতিকবি লোকমান হোসেন ফকির-এর স্মৃতিতে।এই জন্য সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি তো বটেই যে কোনো ভালো কাজে আমাদের পরিবারের সহায়তা হাত প্রসারিত থাকবে। আমি গর্বিত ও আনন্দিত, আমাদেরই এলাকার সন্তান
মুক্তা সারাদেশ তথা বিশ্বময় সেবার মহান ব্রত নিয়ে মাটির মা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, মাটির মা ফাউন্ডেশন একদিন তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।

পরিশেষে তিনি বলেন, মাটির মা ফাউন্ডেশন-এর এই আলোক-যাত্রা যুগ থেকে যুগান্তরে প্রবাহিত হোক— মাটি থেকে মানুষে, মানুষ থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে।

সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কবি মতিয়ারা মুক্তা বলেন, একযুগ পূর্ণ হলো।
যখন শুরু করেছিলাম, তখন আমার হাতে কিছুই ছিল না। না মূলধন, না কোনো অফিস। না কোনো বড় পরিকল্পনা। ছিল শুধু বুকভরা সাহস আর স্বপ্ন।

এই একযুগে অনেক ঝড় গেছে, অনেক ভাঙন গেছে, অনেক না-পাওয়ার বেদনা গেছে। অনেক রাত আমরা না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি, অনেক দিন আমরা না খেয়ে কাজ করেছি। কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি।

তিনি আরও বলেন, যুগপূর্তির উৎসবে আমার কোনো ভাষণ নেই, আমার শুধু একটি আঁচল পাতা আছে। সেই আঁচলে পেতেই আপনাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। আর আগামী যুগের জন্য আমার কোনো বড় স্বপ্ন নেই। আছে শুধু একটি ছোট্ট প্রার্থনাময় আহ্বান—আসুন, মানুষের পাশে দাঁড়াই। হৃদয়ের ভাষায় কথা বলি।
পরিশেষে বলি আমার মাটি, আমার মা, আমার মানুষ, আমার দেশ, আমার সন্তান— তোমাদের জয় হোক।

উৎসব মঞ্চের নামকরণ করা হয় কবি রফিক আজাদ মঞ্চ।উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে সুরসাধক লোকমান হোসেন ফকির-কে। দিনব্যাপী কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, লোকমান হোসেন ফকির এবং সুফিকথন নিয়ে আলাদা দুটি সেমিনার পর্ব, আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য পরিবেশন, যাদু প্রদর্শন ছাড়াও ছিলো ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লাঠিখেলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2019agamirdarpon
Design & Developed By BD IT HOST